• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে গ্যাস সঞ্চালন প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণের দাবীতে বিক্ষোভ

সিসি নিউজ ।। জমি অধিগ্রহণের মূল্য নির্ধারণ ছাড়াই নীলফামারীর সৈয়দপুরে শুরু হয়েছে গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন প্রকল্পের কাজ। এতে করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। বন্ধ করে দিয়েছে প্রকল্পের কাজ। বুধবার উপজেলার বাগডোকরা মৌজার ধলাগাছ মতির মোড় এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দেশের উত্তর জনপদে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গ্যাস ভিত্তক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণের সুযোগ সৃষ্টিসহ বাণিজ্যিক ও অন্যান্য গ্রাহকের গ্যাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ১০০০ পিএসআইজি এর ৩০ ইঞ্চি ব্যাস পাইপ লাইন স্থাপনের কাজ হাতে নিয়েছে সরকার। ওই কাজের মোট বরাদ্দ ১ হাজার ৩শ’ ৭৮ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। জিটিসিএল কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্প এলাকার জমি অধিগ্রহণের জন্য চিঠি দেয়। রুট ম্যাপ ও জরিপ কাজ শেষ করে স্থানীয় প্রশাসন।

করোনা প্রাদূর্ভাব ও অন্যান্য কারণে দীর্ঘদিন বন্ধের পর সম্প্রতি আবারও শুরু হয় প্রকল্পের কাজ। মাঠে লাগানো বোরো ধানক্ষেত নষ্ট করে বসানো হয় পাইপ লাইন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বাঁধা দিলে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দ্রুত ক্ষতিপূরণের মৌখিক আশ্বাস দেন। কিন্তু ৩ সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও কৃষকরা জমির মূল্য নির্ধারণের নোটিশ (৮ ধারা) না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। ফলে উল্লেখিত দিনে বাগডোকরা মৌজার কৃষকরা প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেন। এসময় তারা ৮ ধারা নোটিশ প্রদানের অনুরোধ জানান জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষের কাছে।

ওই এলাকার কৃষক ইউসুফ আলী, আজাদুল ইসলাম, ওমেদুল ইসলাম বাবলু, আমজাদ হোসেন, আব্দুল খালেক, জামাল হোসেন জাদু, মোঃ দবির উদ্দিন, আসলাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ, মজিদুল ইসলামসহ অনেকে অধিগ্রহণ ও দখলকৃত জমিতে সকল কার্যক্রম স্থগিতের আবেদন করেন জেলা প্রশাসক বরাবর।

তারা বলেন, আর কয়েক দিন গেলে আমরা বোরো ধান পেতাম। আমরা সেই ফসলি জমি নষ্ট করে গ্যাস লাইনের জন্য দখল ছেড়ে দিলাম। কিন্তু এখনো আমরা ৮ ধারা নোটিশ পেলাম না। ৮ ধারা নোটিশ না পেলে আমরা কিভাবে বুঝবো আমাদের জমির মূল্য কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৮ ধারা নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করতে দেবেন না বলে ওই এলাকার কৃষকরা জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ